নৌ প্রধান হিসেবে শেষ পর্যন্ত মনিরুজ্জামান !

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on print

বিশেষ প্রতিনিধি :::

দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর  একটি নিয়োগ নৌ বাহিনীর প্রধান। বর্তমান নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের মেয়াদ আগামী ২৩ জুলাই শেষ হবে। তার স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন? এমন আলোচনা সবখানে।

গুরুত্বপূর্ণ এই পদে নিয়োগের আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে নানা হিসাব-নিকাশ সামনে আসছে। সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম চট্টগ্রাম বন্দরের রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান। ৫ই আগস্টের পর চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান হিসেবে পদায়িত হওয়া এই কর্মকর্তাকে নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এসএম মনিরুজ্জামান ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেন। তার আগের চেয়াম্যান মোহাম্মদ সোহায়েল আহমদকে ওই বছরের ২০ আগস্ট গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম বন্দরে অনিয়ম, দুর্নীতি ছাড়াও র‌্যাবে থাকাকালে গুম, খুনের অভিযোগ রয়েছে।

তবে রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের সম্ভাব্য পদোন্নতি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সামনে চলে এসেছে আওয়ামী সরকারের সময়ে দায়িত্ব পালনকাল উত্থাপিত নানা অভিযোগ।

তবে প্রশাসনিক ও সামরিক সূত্রগুলো বলছে, নৌপ্রধান হওয়ার দৌড়ে মনিরুজ্জামানকে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। এ কারনেই পুরোনো  প্রশ্ন নতুন করে উঠছে— তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের বিষয়ে জনসম্মুখে স্পষ্ট ব্যাখ্যা বা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি খুঁজছেন বিশ্লেষকরা। 

অনাহুত অভিযোগের তকমা মাথায় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদে তার নিয়োগে প্রতিক্রিয়া বিষয়ে কি নীতিনির্ধারকদের ভাবনা কী?  

আওয়ামী লীগ সরকার আমলে শিপিং করপোরেশনের জাহাজ ক্রয় নিয়ে অনিয়মের পুরোনো অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে।  আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন  এস এম মনিরুজ্জামান। দায়িত্ব পালনকালে তার ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী , চীনের সিএমসি থেকে জাহাজ ক্রয় প্রকল্পে বরাদ্দ ও ক্রয়সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে গুরুতর অসঙ্গতির অভিযোগ অন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলে প্রকট হলেও, ধামাচাপা দেয়া হয়েছে।

অভিযোগ, ২০২০ সালে ২৩৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দের ভিত্তিতে চীনের সিএমসির কাছ থেকে ছয়টি জাহাজ সংগ্রহের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ২০২২ সালে মনিরুজ্জামান দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই প্রকল্পে একই অর্থে চারটি জাহাজ কেনা হয়।

বিশ্লেষকদের ভাষ্য , ‘ এই সিদ্ধান্তের ফলে বিপুল অঙ্কের অর্থের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ক্রয় প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা পাশ কাটানো হয়েছে। ‘

সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই ২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর, সরকারি ছুটির দিনে চুক্তিটি সম্পন্ন করা হয়েছিলো। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন,  ছয়টি জাহাজ কেনার বরাদ্দে চারটি জাহাজ কিনে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

তবে এই প্রকল্পে ক্রয় সংক্রান্ত  অভিযোগের বিষয়ে  আদালত বা সরকারি  তদন্ত সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত  প্রকাশ্যে আসেনি। বলা হচ্ছে অন্তবর্তীকালীন সরকারের আনুকুল্যে তদন্ত ধামাচাপা দেয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের  মতে, এত বড় প্রকল্পের আর্থিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা রাষ্ট্রীয় স্বচ্ছতা  স্বার্থেই প্রয়োজন।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রায় ১ হাজার ৩১৪ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম, অর্থ পাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেও শেষ করতে পারে নি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০২৫ সালের ১ জুলাই দুদক একটি অনুসন্ধান দল গঠন করেছিলো। সহকারী পরিচালক (অনুসন্ধান ও তদন্ত-৫) মো. নওশাদ আলীর নেতৃত্বে গঠিত ওই দলের অপর সদস্য ছিলেন উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন।

দুদকের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছিলো। তদন্তের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের কাছে গত বছরের ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

দুদকের পাঠানো চিঠিতে কর্ণফুলী নদী ড্রেজিংসহ বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদনপত্র, অর্থ বরাদ্দের দলিল, দরপত্র আহ্বানের বিজ্ঞপ্তি, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদন, কার্যাদেশ, চুক্তিপত্র, প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি, বিল-ভাউচারসহ সংশ্লিষ্ট সব আর্থিক কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিলো।

এছাড়াও বন্দর চেয়ারম্যানের স্ত্রী আইরিন জামান এবং দুই সন্তান মুহতাসিম ইয়াসার ও সারান ইয়াসারের জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট ও জন্মনিবন্ধনের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো।

সূত্রমতে , দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চিঠি দেওয়ার পর থেকে অভিযোগের বিষয়বস্তু গোপন রাখতে বন্দর চেয়ারম্যান অন্তবর্তীকালীন সরকারের  প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতা পেয়েছিলেন। একারণে দুদকের অনুসন্ধান  ধামাচাপা দিতে সক্ষম হয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) দপ্তরের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে চট্টগ্রাম বন্দরে ৭২টি অনিয়ম শনাক্ত করা হয়েছিলো।  যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪৪টি অনিয়মের আর্থিক মূল্য প্রায় ২৬৫ কোটি টাকা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিহ্নিত অনিয়মগুলোর অধিকাংশই দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, মূল্যায়নে পক্ষপাতিত্ব এবং চুক্তি বাস্তবায়নের ধাপে দুর্নীতির মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে। মুলত এসব গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতেই অনুসন্ধানে নেমেছিলো দুদক।

সুত্রমতে, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর নৌ বাহিনীর প্রধান হিসেবে স্থলাভিষিক্ত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কারণ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলামের সঙ্গে মনিরুজ্জামানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।  এই বিষয়টি  সামরিক অঙ্গনে বহুল চর্চিত ।

তবে বিএনপি নেতাদের মতে, এ ধরনের সম্পর্ক বা যোগাযোগ নিজেই কোনো অনিয়মের প্রমাণ নয়।  তবে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক  পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অতীত কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তা অবজ্ঞা করা সমীচীন নয়। 

জানতে চাইলে জন প্রশাসনের সাবেক এক কর্মকর্তা বলেন, “ সামরিক নেতৃত্বের সর্বোচ্চ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু দক্ষতা নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াটিও জনআস্থার পরীক্ষার মুখে পড়ে। ফলে যেকোনো বিতর্ক বা অভিযোগ স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় আসে।”

নৌ প্রধান হিসেবে সম্ভাব্য তালিকায় থাকা বাকি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আছে।  তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে দুই কর্মকর্তা  রিয়ার অ্যাডমিরাল গোলাম সাদেক এবং রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসাও।তাদের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সময়ে আর্থিক অনিয়ম ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি।

তবে প্রশাসনিক মহলের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে এস এম মনিরুজ্জামানের নাম। কারণ, একদিকে তিনি সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে এগিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বেশ কয়েকটি এখনো জনপরিসরে পুরোপুরি ব্যাখ্যাত বা নিষ্পত্তিকৃত নয়।

রিয়ার অ্যাডমিরাল গোলাম সাদেকও আছেন আলোচনায়।
২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা রিয়ার অ্যাডমিরাল গোলাম সাদেকও নৌপ্রধান হওয়ার দৌড়ে এখন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। তার বিরুদ্ধেও আছে নগরবাড়ী, কাজিরহাট, নরাধহ ও নন্দীবন্দর ঘাট ইজারা-সংক্রান্ত নানা অনিয়মের অভিযোগ। 

অভিযোগ রয়েছে, বার্ষিক ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকার ইজারা মাত্র ২ কোটি টাকায় অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সরকারের প্রায় ৬ কোটি ৮১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুদকের কমিশন সভায় তার বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেওয়া হলেও পরে রাজনৈতিক তদবিরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে কমিশন।

অনুসন্ধান-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, কমিশনের অনুমোদনের পরও মামলা প্রত্যাহারের ঘটনা দুদকের ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল।

গোলাম সাদেকের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে, বিআইডব্লিউটিএর ৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকার ড্রেজার ও জলযান ক্রয় প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম এবং অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে।এই প্রকল্পে সাবেক নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুদক।গোলাম সাদেককেও তলব করা হয়েছিল। কিন্তু সেই অনুসন্ধানও পরে রহস্যজনকভাবে স্থবির হয়ে পড়ে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি।

মুসাকে ঘিরেও প্রশ্ন
এদিকে সর্বোচ্চ নৌ নেতৃত্বের দৌড়ে থাকা সহকারী নৌপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসার অভিযোগের ফাইলও সমানভাবে আলোচনায় রয়েছে। যদিও তার চাকরির মেয়াদ শেষ হবে ৩১ জুলাই ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, ২০২৫ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকাকালে মুসার নিকটাত্মীয় ও বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর তদবিরে তার চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়, যা নৌবাহিনীর ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে আলোচিত।

তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন ড্রেজিং ও অবকাঠামো প্রকল্পে অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, মংলা বন্দরের নথিতে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার অডিট আপত্তির তথ্যও রয়েছে।

আস্থার প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বড়
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধানের পদ শুধু একটি প্রশাসনিক বা সামরিক দায়িত্ব নয়, এটি দেশের সার্বভৌম নিরাপত্তা, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক সামরিক সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান।

এ কারণে নৌপ্রধান নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন আর কে এগিয়ে বা কে পিছিয়ে—সেটি নয়।

বরং প্রশ্ন হলো, যিনি এই দায়িত্বে আসবেন, তাকে ঘিরে জনআস্থা, পেশাগত গ্রহণযোগ্যতা এবং নৈতিক স্বচ্ছতা কতটা নিশ্চিত করা যাচ্ছে।

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অভিযোগ মানেই অপরাধ প্রমাণ নয়। আবার অভিযোগের অস্তিত্বও পুরোপুরি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।ফলে নেতৃত্বের শীর্ষে ওঠার আগে এস এম মনিরুজ্জামানকে ঘিরে উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য উত্তর পাওয়ার প্রত্যাশা এখন প্রশাসনিক মহলসহ সচেতন নাগরিকদের একটি বড় অংশের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে।

তদুপরি, বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগে আলোচিত রিয়ার অ্যাডমিরাল গোলাম সাদেক এবং রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসার বিষয়েও প্রয়োজনীয় তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে নৌপ্রধান নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—সচেতন মহলের প্রত্যাশা এমনই।

তবে সিদ্ধান্ত যাই হোক, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনআস্থার প্রশ্ন এবারও যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে খুব বেশি দ্বিমত নেই।

 

আরো পড়ুন

ছাত্রদের কথা শুনুন, সরকারের প্রতি সেলিব্রেটিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করছে ভারতের নতুন দল...

Read more
১৬ বছরের অপেক্ষা শেষে আবারও বিশ্বসেরা স্পেন

ডেস্ক রিপোর্ট :: ২০১০ সালে জোহানসবার্গের মাঠে বিশ্বজয়ের পর স্পেনের আরেকটি বিশ্বকাপের অপেক্ষা দীর্ঘ হয়েছে ১৬ বছর। মাঝখানে ভেঙেছে বিশ্বজয়ী...

Read more
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু

বাসস : বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৩ দিনব্যাপী যৌথ সামরিক মহড়া ‘এক্সারসাইজ টাইগার লাইটেনিং (টিএল)-২০২৬’ শুরু হয়েছে। দুই দেশের কৌশলগত...

Read more
চট্টগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

নিজস্ব প্রতিবেদক  চট্টগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। ফলে এ...

Read more
বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :: চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) চীনের স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ডালিয়ান...

Read more
Scroll to Top