লোকে লোকারণ্য ময়মনসিংহের জনসভা; মঞ্চে তারেক রহমান

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on print

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি :::

দীর্ঘ ২২ বছর পর ময়মনসিংহে এলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর আগমনকে ঘিরে ময়মনসিংহ জেলা ও বৃহত্তর এলাকার নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিলো দেখার মতো।

ময়মনসিংহ নগরীর সার্কিট হাউজ মাঠে বিশাল বক্তৃতামঞ্চ যখন তারেক রহমান বক্তৃতা শুরু করলেন তখন মুহুর্মুহু শ্লোগানে প্রকম্পিত হয় পুরো মাঠ।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, চার দলীয় জোট সরকার যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তাহলে তখন তো জামায়াতের দুই নেতা মন্ত্রী ছিলেন, তারা তখন কেন পদত্যাগ করেননি।

মঙ্গলবার বিকালে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই পত্রপত্রিকায় দেখেছেন, এই মুহূর্তে একটি রাজনৈতিক দল যেই স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছে, সেই স্বৈরাচারের মুখের ভাষা ব্যবহার করছে বিএনপিরই বিরুদ্ধে। ঠিক সেই স্বৈরাচার যেভাবে বলতো, বিএনপি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল। তারাও সেভাবে বলছে।

তো আমার প্রশ্ন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তাদেরও তো দুই জন সদস্য বিএনপির সরকারে ছিল, ছিল না? ছিল। তো বিএনপি যদি অতই খারাপ হয়, তাহলে ওই দুই ব্যক্তি কেন পদত্যাগ করে চলে যাননি।

জামায়াত নেতাদের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কেন পদত্যাগ করে চলে আসেনি? এই জন্য পদত্যাগ করে তারা আসেনি, তারা সরকারে ছিল এবং তারা ভালো করেই জানত যে খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করেছে। এবং যেই দলটি এখন এই কথা বলছে, তাদের যে দুই সদস্য বিএনপি সরকারের অংশ ছিল; তারা ভালো করেই জানতেন যে, খালেদা জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয় না।

২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারে মন্ত্রিত্ব পেয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামের তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী এবং সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ। নিজামীকে প্রথম কৃষিমন্ত্রী করা হয়েছিল, পরে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। মুজাহিদ ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, সব ধরনের আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান বলে, খালেদা জিয়ার সময় দেশ দুর্নীতিতে নিম্নগতিতে ছিল। এবং খালেদা জিয়া যখন ২০০১ সালে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তখন ধীরে ধীরে বাংলাদেশ দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে বের হতে শুরু করলো। যেই দল এই কথা বিএনপিকে এভাবে দোষারোপ করে, তাদের দুই সদস্যের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত সরকারে থাকাই প্রমাণ করে যে, নিজেরাই নিজেদের মানুষ সম্পর্কে কত বড় মিথ্যে কথা তারা বলছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে ময়মনসিংহে প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান। এরপর এই নির্বাচনী জনসভায় আসছেন। এই কর্মসূচিকে জনসমুদ্রে রূপ দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংহ নগরজুড়ে পোস্টার ও প্যানায় স্বাগত জানানো হয়েছে তারেক রহমানকে।

 

আরো পড়ুন

চসিক মেয়রকে বিএনপির কার্যালয় ভাংচুর মামলার আসামি সাদমানের ফুল

নিজস্ব প্রতিবেদক  চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিলেন যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ  সাদমান। বৈষম্য বিরোধী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী...

Read more
আওয়ামী লীগ হত্যা, লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। তারা আর ফিরে আসবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক :: নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নাশকতা সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে পরিস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার অপচেষ্টা এবং বিরোধীদলের...

Read more
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন : বিএনপির মনোনয়নপত্র বিক্রি ১৫ সেপ্টেম্বর

প্রতিনিধি :: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপত্র ফর্ম বিক্রি শুরু হবে ১৫ সেপ্টেম্বর। নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সকাল ১০টা থেকে...

Read more
আরাফাত রহমান কোকোর জন্মদিনে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :: বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে ও বাংলাদেশ ক্রিকেট...

Read more
যুবলীগ নেতা মঞ্জু গ্রেপ্তার

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :: মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সদস্য ও  ইউপি সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুকে (৩৮) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ...

Read more
Scroll to Top