রাহাতুল ইসলাম রাহাত :::
মাদক বিরোধী অভিযানে নিজের লাইসেন্স করা অস্ত্র উঁচিয়ে সমালোচনার পাত্র হওয়া মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইন্জিনিয়ার ইসরাক হোসেনের পদত্যাগের ঘোষণায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ছাত্রদল-যুবদল- স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের প্রতিক্রিয়ায় ইসরাকের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে। সোমবার দিনভর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক মুলত দখলে ছিলো ইসরাকের সহযোগীদের।
গত ২৪ ঘন্টা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, ৮৬ শতাংশ পোস্ট ( এক হাজার ফেসবুক একাউন্টের পোস্ট) অস্ত্র উঁচিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে অবস্থান নেয়া ইসরাকের পক্ষে। ২২ থেকে ৫৫ বছর বয়েসি এক হাজার ফেসবুক একাউন্টের স্টাটাস বিশ্লেষণ করে। যদিও মাদকের বিরুদ্ধে সাদেক হোসেন খোকার সন্তান ইন্জিনিয়ার ইসরাক হোসেনের ভিডিও রাইরাল হবার পর থেকে ৭২ ঘন্টা বাংলা গণমাধ্যম ( প্রিন্ট) অনলাইন পোর্টালে নেতিবাচক সংবাদে ভরপুর ছিলো।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রথম আলো, ডেইলি স্টারসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে মাদকের ডেরায় প্রবেশ করে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইসরাকের মাদক বিরোধী অবস্থানকে ‘এখতিয়ার বহির্ভূত’ কার্যক্রম হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। এছাড়া ইসরাক হোসেনের এমন ব্যতিক্রমী কার্যক্রমকে আইনের শাসনের পরিপন্থী হিসেবে সংবাদ তৈরি করা হয়েছে পরিকল্পিত ভাবে।
অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি টেলিভিশন, পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে ইসরাক হোসেনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নেতিবাচক সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে দেবার মুল অনুঘটক জামায়াতে ইসলামীর সমর্থিত চারটি ‘সাইবার উইং ‘।
এসব সাইবার উইং এর সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সুত্রমতে, মাদকের আস্তানায় একজন সাংসদের অস্ত্র উঁচিয়ে ভিডিও ধারন আইনসিদ্ধ নয়। যদিও মাদকের বিরুদ্ধে যে কোন অভিযানের প্রতি সারাদেশের মানুষের সমর্থন রয়েছে।
চ্যানেল 24 চট্টগ্রামের প্রতিবেদক ইবেন মীর লিখেছেন, সাহসী ইশরাক হোসেনকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। আইনের ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষ বুঝতে চায়না, কারণ আইন তার সন্তানকে মাদক থেকে মুক্তি দিতে পারেনি। বরং আইনের ভিতরে বাস করেও তার সন্তান ধ্বংস হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে তিনি জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেননা, সঠিক সীদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। যদি সত্যিই সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাহলে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের পদত্যাগ নেওয়ার প্রয়োজন হত না। কারণ, পুরো দেশে মাদকের ভয়াবহ থাবা মানুষের জীবন যখন ধ্বংস করছে, একাধিক প্রজন্ম ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ প্রশাসন এবং রাষ্ট্রযন্ত্র মাদকের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে চুলকনিও করতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে একজন জনপ্রতিনিধি নিজে মাঠে নেমেছেন এবং সাথে তার বৈধ অস্ত্র হাতে নিয়েছেন। অস্ত্র হাতে নিয়ে এভাবে মাঠে নেমে তিনি যদি আইনের লঙ্ঘন করেও থাকেন তা মানুষের কল্যাণে করেছেন। মানুষের জন্য আইন, আইনের জন্য মানুষ না।
সাধারণ মানুষ এ ধরনের সাহসী আচরণ ইতিবাচকভাবে দেখেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ায় এত সমালোচনা কেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় কারা বেশি সক্রিয় সেটি কারোরই জানতে বাকী থাকার কথা না। এটি স্পষ্ট যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা সবচেয়ে বেশি সক্রিয়, তারা সরকারের বিরুদ্ধে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে নানা ধরনের সমালোচনা করেন।
ইবেন লিখেছেন, সেই সাধারণ মানুষই সরকারের এমন সিদ্ধান্তে মর্মাহত। তারা শুধু ইশরাককে না, বরং সব মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধিদের এমন ভূমিকা দেখতে চান। আমিও দেশের একজন নাগরিক হিসেবে ইশরাক হোসেনকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই, কারণ পুরো দেশ এখন মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। অধিকাংশ মাদক কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করছে। সেখানে একজন জনপ্রতিনিধি আছেন, যিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করছেন। অথচ তার জেলার সীমান্ত দিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের মারাত্মক ইয়াবা মুক্তভাবে প্রবেশ করছে।
‘ ইশরাক হোসেনের সাহসী ভূমিকার জন্য তাকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়ার জন্য আমি জোর দাবি জানাচ্ছি। কারণ দেশের মাদক নির্মূল করতে চাইলে এমন সাহসী ও কার্যকর পদক্ষেপ এখন অত্যন্ত জরুরি। ‘
যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজে গবেষণারত সাইফুল ইসলাম মনে করেন, হিতাহিতজ্ঞান হারানো একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি মা-বাবাকে খুন করার মতো হীন কাজ করার উদাহরণ রয়েছে। অন্যদিকে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিকল্পনা করা হলে অভিযানের আগেই প্রশাসনেরই কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্য মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে খবর পৌঁছে দেয়। অভিযানের আগে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের আপস বা যোগসাজশ মাদক বিরোধী অভিযানের উদ্দেশ্যের মৃত্যু ঘটায়। যদিও এমন বাস্তবতায় কোনো মন্ত্রী নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৈধ লাইসেন্স করা অস্ত্র সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে অভিযানে গেলে, পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার প্রয়োজন বিবেচনায় বিষয়টি একেবারে অযৌক্তিক বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
দুই যুগ ধরে গেন্ডারিয়ায় বসবাস করছেন ব্যবসায়ী আবুল হোসেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পালিয়ে যাবার পর থেকে সারা দেশের মাদকের স্পটগুলোতে কর্তৃত্ববাদী চরিত্র এবং মাদক ব্যবসা থেকে প্রত্যক্ষ ‘ সুবিধাভোগী’ পরিবর্তন হয়েছে। মাদকের স্পটগুলোতে অভিযান চালানোর সময় নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়। সারাদেশে মাদকের স্পটে অভিযানকারীদের উপর হিংস্র হামলারও নজির রয়েছে।বিশেষ করে, গত ৫৪ বছরের প্রচলিত ব্যবস্থায় দেশের বহু সমস্যার কার্যকর সমাধান না হওয়ায় বিকল্প ও কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সাহাবউদ্দিন বলেন, ‘ ইসরাকের ঘটনাটি ইতিহাসের মুল্যায়নের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। শুধু কার হাতে অস্ত্র ছিল, সেটি দিয়ে কাউকে বিচার করা যায় না। বিচারের জন্য অস্ত্র হাতে নেয়া ব্যক্তির উদ্দেশ্য, প্রেক্ষাপট ও কর্মকাণ্ড বিবেচনা করতে হয়। ‘
প্রতিবেদন তৈরির সময় অন্তত পাঁচজন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী ইসরাকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে একমত প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সদস্যরা তার দেশের পক্ষে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে আজ নিন্দিত। অথচ বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সশস্ত্র সংগ্রাম স্বাধীনতার যুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস ।
আগের দিন ইশরাকের অস্ত্র নিয়ে একশনের বিষয়ে কেউ কেউ সমালোচনা করলেও ইসরাকের পদত্যাগের ঘোষণা দেবার পরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি নেতাকর্মীদের অবস্থান পাল্টে যায়। রবিবার রাত থেকে ইসরাক হোসেনের পদত্যাগের সম্ভাবনা জাগার আগেই মিস্টি বিতরণের খবর ছড়িয়ে পড়ে। পদত্যাগের কুলুপ এঁটে দেয়া ইশরাককে দলের দুঃসময়ের কর্মী হিসেবে স্বীকারোক্তি বাড়তে থাকে।
নেতাকর্মীদের বুঝা শেষ যে বিএনপি সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে ইসরাক হোসেনকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। আগের রাতে গুজব বলে স্টাটাস দিলেও সোমবার নিজেই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দেন জাতীয় প্রেসক্লাবে। জনাকীর্ণ এই সংবাদ সম্মেলনে মুলধারার সাংবাদিকের চেয়ে অনলাইন পোর্টালের মজো রিপোর্টারদের উপস্থিতি বেশি ছিলো ।
মোহাম্মদ আলী নামের আরেক সাংবাদিক তার স্টাটাসে লিখেছেন, ‘ মানতে পারলাম না লিডার। আপনার এই সিদ্ধান্ত। ‘
বীর মুক্তিযোদ্ধা এহসান মাহবুব লিখেছেন, মন্ত্রীপরিষদ থেকে পদত্যাগের জন্য বলা হয়েছে। নিশ্চিত করে বলা যায় সরকারের শীর্ষ পদ থেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সাংসদ ও প্রতিমন্ত্রী ইন্জিনিয়ার ইসরাককে পদত্যাগের জন্যে চাপ তৈরি করা হয়েছিলো। অথচ ইসরাকের কড়া অবস্থানের কারণে দেশের জনগণ প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন। এমন একজন নেতাকে পদত্যাগের পরামর্শ দিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সমাজকে মাদক মুক্ত করার মহৎ উদ্দেশ্যকে থামিয়ে দেয়া হয়েছে। ইসরাক হোসেনের বাবার মতো গেরিলা যোদ্ধাদেরও মুক্তি সংগ্রামের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মূল্যায়ন করা উচিত। “
সামশুল আলম নামের আরেক ব্যক্তি লিখেছেন, ” বাঘের বাচ্চা বাঘই হয়। তার প্রমাণ করলেন সাদেক হোসেন খোকার যোগ্য সন্তান ইসরাক হোসেন।”
বেসরকারি টেলিভিশন গ্রিন টিভির শীর্ষ কর্মকর্তা, সিনিয়র সাংবাদিক ওয়াহিদ জামান লিখেছেন, মাদকের টাকা সবখানে বিনিয়োগ হয়, গণমাধ্যমেও যায়। মাদক ব্যবসায়ীদের পত্রিকা আছে, সাংবাদিকও আছে। এটা সাংবাদিকদের সবার অন্তত জানা আছে।দেশকে মাদক মুক্ত করার আগে সিন্ডিকেটের পেছনে সুশীলদের কারা, নিবিড় তদন্ত জরুরি। সরকারী দল হিসেবে মাদক ব্যবসার ভাগ পাওয়া বিএনপি নেতাদের তালিকা করা জরুরি। আবেগ বেশি কাজ করলে সামনে বিপদ…লিডার।
প্রিয় ইশরাক ; রাজপথ যাদের চেনা তাদের জন্য নিজের দলে সবসময়ই ‘ বিরোধী দলের চেয়ার ‘ রাখা থাকে। অ-ব-হে-লা-র গদ্য- পদ্যে রাজনীতি করতে হবে। কোন ব্যাপার না, আঁ-তে-ল-রা দলের উঁইপোকা। একসময় ঠিকই খেয়ে দেবে।
এসব তেলবাজির ঋতু পরিবর্তন হবে, তেলবাজদের পতন হবে। হয়তো আবারও ষড়যন্ত্রের জালে ধরাশায়ী, বিধস্ত নেতাকে আমাদেরকেই বিদেশের মাটিতে রিসিভ করা লাগবে এয়ারপোর্টে । “
খাগড়াছড়ি উপজেলা বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট রেজাউল করিম লিখেছেন, পদত্যাগ মানেই প্রস্হান নয় ,নতুন রূপে ফিরে আসার প্রত্যয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া পোস্ট বিশ্লেষণ করে দেখা যায় প্রতিমন্ত্রীর পদ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়ে দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্তে নাখোশ তৃণমূলের অধিকাংশ নেতাকর্মী। বিষয়টির কড়া সমালোচনা করে ত্যাগী নেতাদের বঞ্চনার গল্পো হিসেবে আখ্যায়িত করছেন অনেকেই। বিভিন্ন পদে অনুপ্রবেশকারীদের সিলেকশন, তরুনদের অবমুল্যায়ন, দুঃসময়ে রাজপথে থাকা ত্যাগীদের দুরে সরিয়ে দেবার বিষয়ে অনুযোগের সুর সবার কন্ঠে। অনেকেই দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আশপাশে ভীড় করা লন্ডন কোরামকে ধুয়েমুছে একাকার করেছেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে সরকার পতনের আন্দোলনে রুপান্তরে অন্যতম কুশীলব ইশরাক হোসেন ও সানিয়াতের ( বরকত উল্লাহ বুলুর সন্তান) যুগপৎ ভূমিকার কথা এসেছে সামনে। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে সরকার পতনের আন্দোলন হিসেবে রাজপথ দখলে নেয়াতে ইশরাক হোসেন সরাসরি ভূমিকা রেখেছিলেন। দ্বিতীয় দফার কার্ফিও ভেঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলা সহজ ছিলো না। কেন না সরকারি চাকরির বিষয়ে ততোটা আগ্রহী নন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বলা হচ্ছে, পুলিশ ও আওয়ামী লীগের বিপরীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংঘবদ্ধ করতে ইসরাকের ভূমিকার ধারেকাছেও নেই বিএনপির বাকি মন্ত্রী, এমপির কেউ। গোপনে নিয়মিত যোগাযোগ ও ছক অনুযায়ী সেকেন্ড প্রেইস তৈরি করা হয়েছিলো, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে কোটা সংস্কার আন্দোলনে যুক্ত করা হয়েছিলো সুনিপুণ কৌশলে।
আরেকটি সুত্র জানিয়েছে, ২০২৪ সালে জুলাই গণ অভ্যুত্থান চলাকালীন বিএনপি নেতাদের অনেকেই পুলিশের সাথে সমঝতা করে জেলে গিয়ে নিজেদের সুরক্ষিত রেখেছিলো। তাই তো পদত্যাগের পর দুর্দিনের নেতা হিসেবে ইশরাকের সাহসী ভূমিকার বন্দনা তৃণমূলের মুখে।



