দেশে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকার সংখ্যা বাড়ছে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on print

রাহাতুল ইসলাম রাহাত ::

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সর্বশেষ বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট ৩১৪টি উপজেলা ও থানাকে সড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী  অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা: ১৩৯টি, দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা: ১৭৫টি এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা: ২১টি।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সর্বশেষ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এই মাসে ১১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, ৭ জন আহত ও ৪ জন নিখোঁজ হয়েছেন। এছাড়া ২৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন সেপ্টেম্বরে। একক যান হিসেবে সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী। চলতি বছর দেশে ১৫৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৯ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট প্রাণহানির প্রায় ৩২ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনার হার এবং প্রাণহানি দুটোই সবচেয়ে বেশি। এই বিভাগে ২৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ দুর্ঘটনায় ৩১ দশমিক ৬৭ শতাংশ প্রাণহানি ঘটেছে।

ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১৩২টি দুর্ঘটনায় ১৩৪ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২০টি দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত হয়েছেন।

একক জেলা হিসেবে গাজীপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া রাজধানী ঢাকায় ৫২টি দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত এবং ৪৭ জন আহত হয়েছেন।

অন্যান্য বিভাগের মধ্যে রাজশাহীতে ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ১৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ, খুলনায় ১৪ দশমিক ৪২ শতাংশ, বরিশালে ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ, সিলেটে ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ, রংপুরে ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৭ দশমিক ৮০ শতাংশ প্রাণহানি ঘটেছে।

গবেষণা পত্র অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে সড়কে মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ৩৬৪ জন শিক্ষার্থীর, যা সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহতের ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ। এ তথ্য সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের।

প্রতিষ্ঠানটি সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে দেখেছে, নিহতের ৪৫ দশমিক ১৯ শতাংশই ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী। এই বয়সী নিহত শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ৩ হাজার ৩২৮। তারা স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৬ জন, অর্থাৎ মোট শিক্ষার্থীর ৫৪ দশমিক ৮১ শতাংশ।

 

গত বছর রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চার বছরের তথ্য  বিশ্লেষণে দেশে মোট ৩১৪টি উপজেলা ও থানাকে সড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিলো। গত বছর ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত গত ৫ বছরের ৩৭ হাজার সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন তৈরি করেছিলো সংগঠনটি।

সংগঠনটির সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দিনাজপুর, রংপুর, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লার মতো জেলাগুলোতে অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা বেশি রয়েছে। এসব এলাকার প্রতিটিতে ৪টি করে উপজেলাসহ চিহ্নিত। এছাড়া ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ রুটে সড়ক ধস ও অবকাঠামোগত ঝুঁকির কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা যায় ।

এরআগে,  ২০২৩ সালে দেশের ১০৮টি স্থানকে অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছিলো বেসরকারি সেফটি ফাউন্ডেশন। এই এলাকাগুলোর মধ্যে একটি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর।দেশের ১০৮টি স্থানকে অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে  রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। এই এলাকাগুলোর মধ্যে একটি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন তিন বছরব্যাপী গণমাধ্যমে প্রকাশিত সড়ক দুর্ঘটনার স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করে সারা দেশে ২২৯টি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করেছিলো। দুর্ঘটনার ধরন ও মাত্রা বিশ্লেষণের মাধ্যমে ১০৮টিকে অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ ও ১২১টিকে সাধারণ দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, ‘ দেশের ২২৯টি এলাকার বাইরেও দুর্ঘটনা ঘটছে, তবে তা প্রতিনিয়ত নয়। মূলত, যেসব এলাকায় ধারাবাহিকভাবে দুর্ঘটনা ঘটছে, সেসব এলাকাকে বিবেচনায় নিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ বলতে যেসব এলাকায় কয়েক দিন পরপরই দুর্ঘটনার ঘটছে, সেসব এলাকাকে বিবেচনা করা হয়েছে। আর সাধারণ দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা বলতে যেখান কিছু বিরতিতে দুর্ঘটনা ঘটে, সেগুলোকে বোঝানো হয়েছে।’

অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা
দেশে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে। দুর্ঘটনার সংখ্যা ও এতে নিহত বা আহত ব্যক্তির সংখ্যা নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া তথ্যে পার্থক্য থাকলেও দুর্ঘটনা বৃদ্ধির বিষয়টি স্পষ্ট।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের গবেষণায় অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ যে ১০৮টি স্থানের তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে সাত জেলায় সবচেয়ে বেশি, অর্থাৎ চারটি করে উপজেলায় দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয়। এ সাত জেলা হলো টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দিনাজপুর, রংপুর, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা। এই সাত জেলায় টাঙ্গাইলের উপজেলাগুলোর মধ্যে বেশি দুর্ঘটনাপ্রবণ ভূঞাপুর, কালিহাতী, ঘাটাইল ও মির্জাপুর। চট্টগ্রামের মীরসরাই, সীতাকুণ্ড, পটিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলায় বেশি দুর্ঘটনা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চার দুর্ঘটনাপ্রবণ উপজেলার মধ্যে আছে সরাইল, নবীগঞ্জ, বিজয়নগর ও আখাউড়া। চিরিরবন্দর, বীরগঞ্জ, বিরামপুর ও ফুলবাড়ী—দিনাজপুরের এই চার উপজেলা অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। রংপুরের চার উপজেলা হলো পীরগঞ্জ, কাউনিয়া, পীরগাছা ও বদরগঞ্জ। ময়মনসিংহের চার উপজেলার মধ্যে আছে ভালুকা, গফরগাঁও, নান্দাইল ও ত্রিশাল। আর অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ কুমিল্লার চার উপজেলার মধ্যে আছে চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং।

দেশের ১০৮টি স্থানকে অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে বেসরকারি সংগঠন রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। এই এলাকাগুলোর মধ্যে একটি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন তিন বছরব্যাপী গণমাধ্যমে প্রকাশিত সড়ক দুর্ঘটনার স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করে সারা দেশে ২২৯টি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করেছে। দুর্ঘটনার ধরন ও মাত্রা বিশ্লেষণের মাধ্যমে ১০৮টিকে অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ ও ১২১টিকে সাধারণ দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান  বলেন, ‘দেশের ২২৯টি এলাকার বাইরেও দুর্ঘটনা ঘটছে, তবে তা প্রতিনিয়ত নয়। মূলত, যেসব এলাকায় ধারাবাহিকভাবে দুর্ঘটনা ঘটছে, সেসব এলাকাকে বিবেচনায় নিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ বলতে যেসব এলাকায় কয়েক দিন পরপরই দুর্ঘটনার ঘটছে, সেসব এলাকাকে বিবেচনা করা হয়েছে। আর সাধারণ দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা বলতে যেখান কিছু বিরতিতে দুর্ঘটনা ঘটে, সেগুলোকে বোঝানো হয়েছে।’

অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা
দেশে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে। দুর্ঘটনার সংখ্যা ও এতে নিহত বা আহত ব্যক্তির সংখ্যা নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া তথ্যে পার্থক্য থাকলেও দুর্ঘটনা বৃদ্ধির বিষয়টি স্পষ্ট।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের গবেষণায় অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ যে ১০৮টি স্থানের তালিকা তুলে ধরা হয়েছে, তার মধ্যে সাত জেলায় সবচেয়ে বেশি, অর্থাৎ চারটি করে উপজেলায় দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয়। এ সাত জেলা হলো টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দিনাজপুর, রংপুর, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা। এই সাত জেলায় টাঙ্গাইলের উপজেলাগুলোর মধ্যে বেশি দুর্ঘটনাপ্রবণ ভূঞাপুর, কালিহাতী, ঘাটাইল ও মির্জাপুর। চট্টগ্রামের মীরসরাই, সীতাকুণ্ড, পটিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলায় বেশি দুর্ঘটনা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চার দুর্ঘটনাপ্রবণ উপজেলার মধ্যে আছে সরাইল, নবীগঞ্জ, বিজয়নগর ও আখাউড়া। চিরিরবন্দর, বীরগঞ্জ, বিরামপুর ও ফুলবাড়ী—দিনাজপুরের এই চার উপজেলা অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। রংপুরের চার উপজেলা হলো পীরগঞ্জ, কাউনিয়া, পীরগাছা ও বদরগঞ্জ। ময়মনসিংহের চার উপজেলার মধ্যে আছে ভালুকা, গফরগাঁও, নান্দাইল ও ত্রিশাল। আর অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ কুমিল্লার চার উপজেলার মধ্যে আছে চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং।

যেসব এলাকায় বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে, তার সাতটি কারণ তুলে ধরেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে প্রধান কারণ হলো এলাকার সড়কের নকশা ও অবকাঠামোগত ত্রুটি। দ্বিতীয় কারণ হলো সড়কের পারিপার্শ্বিক বিরূপ অবস্থা।

সংশ্লিষ্টদের মতে ‘অনেক ক্ষেত্রে সড়কে অস্বাভাবিক বাঁক থাকে। সড়কের পাশে বিশালকায় সাইনবোর্ডে আকর্ষণীয় ছবি থাকে। তাতে তাকিয়ে থেকে গাড়ি চালালে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া অনেক স্থানে রাস্তার ওপরেই ধান বা অন্যান্য ফসল শুকানোর প্রবণতা দেখা যায়। সেটাও একটা কারণ।

গবেষণায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সড়ক নিরাপত্তাসংক্রান্ত ব্যবস্থা না থাকা বা ঘাটতি (সাইন, মার্কিং, সড়ক বিভাজক, পূর্বসতর্কতামূলক নির্দেশনা বোর্ড) দুর্ঘটনার একটি কারণ। আবার যানবাহনের উচ্চগতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকা এবং একই সড়কে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের বাধাহীন ও বেপরোয়া চলাচলও দুর্ঘটনার নেপথ্যে কাজ করে।

সমস্যা আছে—এমন স্থানে যানবাহন চালনার ক্ষেত্রে চালকদের সক্ষমতার অভাব বা অদক্ষতা থাকলে দুর্ঘটনা ঘটে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। এ ছাড়া সড়কের পার্শ্ববর্তী বা সড়কঘেঁষা জনবসতি থাকলে তা দুর্ঘটনা ঘটাতে ভূমিকা রাখে।

রোড সেফটির ফাউন্ডেশনের আগের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে কয়েক বছর ধরেই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সংখ্যা ও মৃত্যু বাড়ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কিশোর-তরুণদের মৃত্যুর ঘটনা বেশি।

২০২২ জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে দেশে ২ হাজার ৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২ হাজার ৯৭ জন। তার আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দুর্ঘটনা ২১ শতাংশ এবং প্রাণহানি ১৯ শতাংশ বেড়েছে।

আরো পড়ুন

সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কমিটির পঞ্চম বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কমিটির পঞ্চম বৈঠক আজ (সোমবার) কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের...

Read more
জনগণের নির্বাচিত সরকার হিসেবে জবাবদিহিতা নিশ্চিতের অঙ্গীকার এলজিআরডি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক ::: জনগণের নির্বাচিত সরকার হিসেবে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও...

Read more
বাংলাদেশের স্বার্থ ও সম্ভাবনাকে বিশ্বমানচিত্রে সুদৃঢ়ভাবে উপস্থাপন : মাহ্দী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক :: জাতিসংঘে চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা এবং সম্ভাবনাকে বিশ্বমানচিত্রে অত্যন্ত সুদৃঢ়ভাবে তুলে...

Read more
এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বিদেশে বসে সরকার পতন সম্ভব নয়: ব্যারিস্টার  হেলাল

নিজস্ব প্রতিবেদক :: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি কিংবা অসৎ উপায়ের মাধ্যমে ভিডিও বানিয়ে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে সরকার পতনের দিনস্বপ্ন কোনোদিন...

Read more
নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক :: দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রের পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি...

Read more
Scroll to Top