নিজস্ব প্রতিবেদক ::
ফসলি জমি, সরকারি সম্পত্তি ও সাধারণ মানুষের ভূমি সুরক্ষায় আরো কার্যকর ও সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। একই সঙ্গে পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করা এবং ভূমিব্যবস্থাপনায় জনবান্ধব পরিবেশ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, কৃষিজমি সংরক্ষণ দেশের খাদ্যনিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই ফসলি জমি যাতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অন্য কাজে ব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নজর দিতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ভূমির অধিকার এবং সরকারি সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ভূমিসংক্রান্ত অনিয়ম ও অবৈধ দখলের ঘটনায় আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার ওপরও গুরুত্ব দেন ভূমিমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আন্তরিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা ভূমিব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়রসচিব এ এস এম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে নাগরিকসেবা সহজে পৌঁছে দিতে কাজ করছে।এ ক্ষেত্রে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ।সরকারি কর্মকর্তাদের সব সময় জনগণের সেবার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে সামনে রেখে সেবার মান আরো উন্নত করতে হবে।
বাংলাদেশের মানুষই দেশের মূল শক্তি উল্লেখ করে সরকারি কর্মচারীদের সেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমিব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় দেশের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



